আমার খুব বাংলা লিখতে ইচ্ছে হয়. কিন্তু আর লিখতে পারি না. বাংলা লেখার অভ্যাসটা একেবারেই চলে গেছে. খয়েরি সাহেব হয়ে গেছি এক রকমের. কিন্তু মাঝে মধ্যে আমি ভাবি, লেখা কি সুন্দর হওয়া দরকার? আমরা লিখি কেন? তোমাকে যদি আমি আমার মনের ভাব ব্যক্ত করতে পারি, তাহলে সেটাই কি যথেষ্ট নয়? বিদ্যাসাগর বাবু যখন বাংলা লেখা চালু করলেন তখন বাংলার কি অবস্থা ছিল. এখন তো বাংলাটা পদ্যের মত মনে হয়. আমি পদ্য লিখতে পারি না ভাই. আমায় তোমরা ক্ষমা করে দিও. আমার লেখা পরে যদি ভালো না লাগে, তাহলে চলে যেও দুটো গালি দিয়ে, আমি খারাপ পাব না. কিন্ত তবু তোমরা আমাকে পর করে দিও না. আমি চেষ্টা করছি লেখার, অন্ততঃ চেষ্টাটা করতে দাও.
বঙ্কু ও তার লাথি কেলিয়ে কাঁঠাল পাকায় কি করে জানিনে, তবে বঙ্কু একবার একটা উটকো লোককে কেলিয়ে চাতাল ফাটিয়েছিল মনে আছে। আমি তখন সবে বারো ক্লাসে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে উঠেছি। বাবা কে বলেছিলাম আর্টস নিয়ে পড়ব । আমার রাশভারী বাবা তাতে এমনই দুঃখিত হলেন যে বাড়িতে মুরগি আনা বন্ধ করে দিলেন। নিজে সেদ্ধ খান, আমাদেরও রুটিন করে সেদ্ধ গেলাতে লাগলেন। কাঁহাতক আর সহ্য করা যায়। অগত্যা সায়েন্স নিয়ে মুরগির ফ্লও এন্সিউর করলাম। কিন্তু ঝাড়টা খেলাম মাইক্রো লেভেলে । জলের সাথে সালফিউরিক অ্যাসিড মেশালে সেটা কোকা-কোলা হয় না ইনোর মত অখাদ্য কিছু , তাতে আমার কোন ...
মন্তব্যসমূহ