সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
এই গুগুল সার্ভিস টা যা করেছে না মাইরি. এইবার দেখ শালা, কত বাংলা লেখা পোস্ট করি. শালা হেজে যাবি পড়তে পড়তে.

মন্তব্যসমূহ

S বলেছেন…
ei service beNche thak. tomar bangla lekha na porar theke heNje jawa bhalo!
Apocalyptus বলেছেন…
জিও মামা কোন কথা হবে না.
তোমার বাংলা লেখা পড়ার অপেক্ষায়ে অনেক দিন কাটিয়ে দিয়েছি.
এবার তো টাইপ করতে কোনো চাপ নেই.
গুগল সোনামনি এত সুন্দর একটা যন্তর বানিয়েছে.
তুমি শালা শুধু লিখে যাও. আমরা হেজে যাই কি না সেটা তো পরে দেখাই যাবে.
কয়েকটা 'পাগলা' লেখা পড়ার অপেক্ষায়ে রইলাম.

পাগলা, চুলকে নে....
------------------------------------------------------------------------------------

ওহ আর একটা কথা, তোমার কমেন্ট দেখলাম আমার ব্লগ-এ. এনকারেজমেন্ট এর জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ. লেখার সেরকম সময় পাই না,
তাই নিয়মিত লেখা হয়ে ওঠে না. তা ছাড়া তোমার মতো ন্যাচারাল ফ্লেয়ার তো নেই, তাই অনেক ভেবে ভেবে লিখতে হয় - তাতে অনেক সময় লেগে যায়.
তাও কোনো আন-ইউজুয়াল টপিক পেলে লেখার চেষ্টা করি.
S বলেছেন…
koi??????????
Apocalyptus বলেছেন…
এই মন্তব্যটি লেখক দ্বারা সরানো হয়েছে।
Apocalyptus বলেছেন…
কই?
TheLadyLazarus বলেছেন…
this is really cool...lol

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

শুভ নববর্ষ

আজকে শুভ নববর্ষ। সকালের শুরুটা বেশ ছিল। ক্রিকেট খেললাম সাড়ে ছটা থেকে। দৌড়ে দৌড়ে অনেক রান নিলাম , একটা ক্যাচ নিয়ে ম্যাচ জেতালাম। বন্ধুদের পিঠ চাপড়ানো উপভোগ করলাম , বাবা মা , শ্বশুর শাশুড়ি কে ফোন করে নববর্ষ জানালাম। এখন বাড়ি এসে নিজের প্রিয় ম্যাক নিয়ে বসেছি। এভাবেই কেটে যাক জীবনটা , মন্দ নয়।   ওদিকে ইরান আবার ইসরাইল কে আক্রমণ করেছে। কে ভুল , কে ঠিক জানিনা। শুধু মাঝেমধ্যে মনে হয় মানুষই পারে   সুখে থাকতে ভূতের কিল খেতে। পৃথিবীটা এবার কোনদিকে ঘুরে যাবে কে জানে। অনেক যুদ্ধবাজ দেশ ওত পেতে আছে , তাদের কাছে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ার যোদ্ধারা তো শিশু।   ওদিকে আবার গিন্নির মন মেজাজ খুব খারাপ। পরীক্ষায় বাজে রেজাল্ট করে আর পড়াশোনার উচ্চকাঙ্খ পূর্ণ হবে না বলে মন তেতো করে বসে আছে। আমার কিছু করার নেই। যেটায় কিছু করতে পারব না , সেটা নিয়ে বিশেষ ভাবব না। আমি আমার মতো থাকব ঠিক করেছি। জীবনে কত কিছু জানার , দেখার , বোঝার। এভাবে মুখ লটকে থাকলে তাতে...

বঙ্কু ও তার লাথি

বঙ্কু  ও  তার  লাথি কেলিয়ে কাঁঠাল পাকায় কি করে জানিনে, তবে  বঙ্কু  একবার  একটা  উটকো  লোককে  কেলিয়ে  চাতাল  ফাটিয়েছিল  মনে  আছে। আমি  তখন  সবে  বারো  ক্লাসে খুঁড়িয়ে  খুঁড়িয়ে  উঠেছি।  বাবা  কে  বলেছিলাম  আর্টস  নিয়ে  পড়ব ।  আমার  রাশভারী  বাবা  তাতে  এমনই দুঃখিত  হলেন  যে  বাড়িতে  মুরগি  আনা  বন্ধ  করে  দিলেন।  নিজে  সেদ্ধ  খান,  আমাদেরও  রুটিন  করে  সেদ্ধ  গেলাতে  লাগলেন।  কাঁহাতক  আর  সহ্য  করা  যায়।  অগত্যা  সায়েন্স  নিয়ে  মুরগির  ফ্লও  এন্সিউর  করলাম। কিন্তু  ঝাড়টা  খেলাম  মাইক্রো  লেভেলে ।  জলের  সাথে  সালফিউরিক  অ্যাসিড  মেশালে  সেটা  কোকা-কোলা  হয়  না  ইনোর  মত  অখাদ্য  কিছু , তাতে  আমার  কোন ...

তোমাদের জন্য মেমসাহেব, সাহেব।

ইংরেজিতে লিখব না বাংলা? এই ভাবতে ভাবতেই আমার সময় কেটে গেল, লেখা আর হয়ে উঠল না। কোন কিছু শুরু করার আগে উদ্দেশ্যটা ঠিক হওয়া জরুরি। আমার প্রস্তুতি ঠিক ছিল না।  এখন ভাবছি লেখাটা জরুরি, ভাষাটা নয়। আমি যেহেতু দুটো ভাষা জানি, আমি দুটোতেই লিখব। যেটা বাংলায় লিখলে ভাল হয়, সেটা বাংলায় লিখব, যেটা ইংরেজিতে স্বাভাবিক, সেটা ইংরেজিতে লিখব। বাংলায় লিখতে পারলে সব থেকে ভাল হয়, সেটাই আমার মাতৃভাষা, কিন্তু ইংরেজি সহজতর। সেটা হয়ত আমার দুই দশকের ইংরেজি লিখে কাজ করার ফল।  আমি দুটি ভাষাতেই সাহিত্যমানের লেখা লিখতে পারব না। কিন্তু লিখতে ভালবাসি। সব  শেষে একটি ইবুক বানিয়ে আমাজনে বা গুগুলে ছেড়ে দেবো। সেটা অবশ্য এই চাকরিটা ছাড়ার পরেই সম্ভব। যখন সময় আসবে, তখন আমার লেখাগুলি এই বিশাল আন্তরজালে ঠাই পাবে। তার আগে লেখাগুলি তৈরি করা দরকার। কেউ পড়বে না হয়ত, কিন্তু আমার কন্যা শ্রাবস্তি আর ভাগ্নে প্রভেক পড়লেই যথেষ্ট। আমি যখন থাকব না, এই লেখাগুলি হয়ত ওদের একটু শান্তি দেবে। অমরত্বের ইচ্ছে আমার নেই, তবে সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে কথা বলতে পারার লোভ সংবরণ করা কঠিন।  হয়ত এই হাবিজাবি লেখাগুলি ভবিষ্যতের প্রজন্মের কেউ পড়ব...